এবিসি আইডিয়াল স্কুল — অনলাইনভিত্তিক শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম আর্টিকেল ও PDF রিসোর্স

এবিসি আইডিয়াল স্কুল

Online Learning & Resource Hub
এবিসি আইডিয়াল স্কুল
হোম ছোট সোনামনিদের জন্য সম্পর্কে যোগাযোগ বিশ্বকোষ এবিসি চ্যাট বট AI লেখা সহায়ক দোয়ার ভাণ্ডার Sitemap Privacy Terms and conditions ব্লগ — সকল আর্টিকেল PDF রিসোর্স নোটিশ
সর্বশেষ আপডেট

অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬ | অধ্যায়ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

0 ভিউ


এবিসি আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য

অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান বিষয়ের প্রস্তুতিকে আরও সহজ, গোছানো ও কার্যকর করার জন্য অধ্যায়ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো এখানে সাজানো হয়েছে। প্রশ্নগুলোতে জ্ঞানমূলক, অনুধাবন এবং প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা—এই তিন ধরনের প্রস্তুতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬ | অধ্যায়ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন


শিক্ষার্থীরা প্রতিটি অধ্যায়ের সংজ্ঞা, ধারণা, কারণ-ব্যাখ্যা, তুলনা, বিশ্লেষণ এবং গাণিতিক সমস্যাগুলো নিয়মিত অনুশীলন করলে পরীক্ষার প্রস্তুতি আরও সুসংগঠিত হবে।


প্রথম অধ্যায়: প্রাণিজগতের শ্রেণিবিন্যাস

জ্ঞানমূলক

১. শ্রেণিবিন্যাস কী?
২. সিলোম কাকে বলে?
৩. বংশগতি কাকে বলে?
৪. সিলেন্টেরন কাকে বলে?
৫. উভচর প্রাণী কাকে বলে?
৬. মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
৭. ফিতাকৃমি কোন পর্বের প্রাণী?
৮. দ্বিপদ নামকরণ কাকে বলে?
৯. স্পঞ্জিলা কোন পর্বের প্রাণী?
১০. শ্রেণিবিন্যাসের জনক কে?

অনুধাবন

১. ব্যাঙকে উভচর প্রাণী বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
২. উভচর প্রাণী বলতে কী বুঝায়?
৩. ব্যাঙকে উভচর প্রাণী বলা হয় কেন?
৪. দ্বিপদ নামকরণ বলতে কী বুঝ?
৫. পাখি সহজে উড়তে পারে কেন?
৬. অন্তঃপরজীবী বলতে কী বুঝায়?
৭. টিকটিকিকে সরীসৃপ বলা হয় কেন?
৮. দোয়েল উড়তে পারে কেন? ব্যাখ্যা কর।
৯. শ্রেণিবিন্যাস বলতে কী বুঝ?

প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা

১. যকৃত কৃমি, ফিতাকৃমি প্রাণীগুলো কোন পর্বের—ব্যাখ্যা কর।
২. হাইড্রা, ওবেলিয়া ও উট, রুইমাছ প্রাণীগুলোর মধ্যে কোনগুলো উন্নত—বিশ্লেষণ কর।
৩. প্রজাপতি প্রাণীটি পর্ব উল্লেখপূর্বক বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
৪. প্রজাপতি ও মাছ প্রাণী দুইটির বৈশিষ্ট্য তুলনামূলক আলোচনা কর।
৫. ব্যাঙ প্রাণীটি যে পর্বের তার বৈশিষ্ট্য বর্ণনা কর।
৬. ব্যাঙ প্রাণীটির জীবদ্দশায় জল ও ডাঙ্গা উভয় পরিবেশই প্রয়োজন—বিশ্লেষণ কর।
৭. মাছ ও দোয়েল প্রাণীদ্বয়ের শ্রেণি ভিন্ন হলেও একই পর্বেও অন্তর্ভুক্ত—বিশ্লেষণ কর।
৮. মাছ ও দোয়েল প্রাণীদ্বয় কি ভিন্ন শ্রেণিভুক্ত? বিশ্লেষণ কর।
৯. হাইড্রা প্রাণীটি কোন পর্বের? ব্যাখ্যা কর।
১০. আরশোলা ও দোয়েল—প্রাণী দুটি কি একই পর্বের? যুক্তিসহকারে মতামত দাও।
১১. তারামাছ প্রাণীটি কোন পর্বের তা ব্যাখ্যা কর।
১২. ব্যাঙ ও বাঘ প্রাণীদ্বয়ের শ্রেণি ভিন্ন হলেও একই পর্বের অন্তর্ভুক্ত—বিশ্লেষণ কর।
১৩. ঝিনুক, কেঁচো, কাঁকড়া প্রাণীগুলো বৃহত্তম পর্বের অন্তর্ভুক্ত—তার অর্থনৈতিক গুরুত্ব লিখ।
১৪. উট, কুমির, ব্যাঙ প্রাণীগুলো একই পর্বভুক্ত হলেও একই শ্রেণিভুক্ত নয়—উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
১৫. মাছ প্রাণীটি যে শ্রেণিভুক্ত তার বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ কর।
১৬. শামুক প্রাণীদের সাধারণ বৈশিষ্ট্য বর্ণনা কর।
১৭. তারামাছ ও মাগুর মাছ একই শ্রেণিভুক্ত কিনা—তার যৌক্তিক মতামত দাও।
১৮. ব্যাঙ ও টিকটিকি প্রাণী দুটি কি একই শ্রেণিভুক্ত? যুক্তিসহকারে মতামত দাও।
১৯. দোয়েল প্রাণীটি পক্ষীকুলের কেন? ব্যাখ্যা কর।
২০. দোয়েল ও ব্যাঙ কীটনাশক ফসল উৎপাদনে প্রাণীদ্বয়ের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।


দ্বিতীয় অধ্যায়: জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি

জ্ঞানমূলক

১. পরাগায়ন কাকে বলে?
২. জাইগোট কী?
৩. ইন্টারফেজ কাকে বলে?
৪. ক্রোমোজোম কাকে বলে?
৫. বংশগতির জনক কে?
৬. অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন কাকে বলে?
৭. জিনতত্ত্বের জনক কে?
৮. কোষ বিভাজন কত প্রকার?
৯. DNA কী?
১০. ক্যারিওকাইনেসিস কাকে বলে?
১১. বংশগতি কাকে বলে?
১২. জীবদেহে কয় ধরনের কোষ বিভাজন দেখা যায়?
১৩. জিন কাকে বলে?
১৪. মাইটোসিস কাকে বলে?
১৫. জীবদেহ কী দিয়ে গঠিত?

অনুধাবন

১. পতঙ্গপরাগী ফুলের অভিযোজন ঘটে কেন—ব্যাখ্যা কর।
২. মিয়োসিসকে হ্রাসমূলক বিভাজন বলা হয় কেন?
৩. অ্যামিবার বিভাজনকে প্রত্যক্ষ কোষ বিভাজন বলা হয় কেন?
৪. ছত্রাকে সংঘটিত বিভাজনকে প্রত্যক্ষ কোষ বিভাজন বলা হয় কেন?
৫. মিয়োসিস প্রয়োজন কেন?
৬. অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজনকে প্রত্যক্ষ কোষ বিভাজন বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
৭. ইন্টারফেজ অবস্থা বলতে কী বুঝায়?
৮. মাইটোসিস কোষ বিভাজনের ধাপগুলো লেখ।
৯. হ্রাসমূলক বিভাজন বলতে কী বুঝ?
১০. কোষপ্লেটের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
১১. জবা ফুলের ডিম্বাশয়ে সংঘটিত বিভাজনকে হ্রাসমূলক বিভাজন বলা হয় কেন?
১২. ইন্টারফেজ বলতে কী বুঝায়?
১৩. ক্রোমোজোমকে বংশগতির ভৌত ভিত্তি বলা হয় কেন?
১৪. বহুকোষী জীবের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায় কেন?

প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা

১. অ্যানাফেজ ধাপের পূর্বের ধাপটি ব্যাখ্যা কর।
২. মাইটোসিস কোষ ও মিয়োসিস কোষ বিভাজনের মধ্যে সংঘটিত প্রক্রিয়া দুটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।
৩. মিয়োসিস প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।
৪. মিয়োসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে কীভাবে বংশগতির ধারা অব্যাহত থাকে—বিশ্লেষণ কর।
৫. অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা কর।
৬. মাইটোসিস কোষ বিভাজনে উদ্ভিদ ও প্রাণীর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ বৃদ্ধি পায়—বর্ণনা কর।
৭. প্রজাপতির বৈশিষ্ট্য টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে মিয়োসিসের অবদান অনস্বীকার্য—বিশ্লেষণ কর।
৮. অ্যানাফেজ পর্যায়ের চিহ্নিত চিত্রসহ ব্যাখ্যা কর।
৯. মাইটোসিস প্রক্রিয়ার সৃষ্ট অপত্য কোষটি ব্যাখ্যা কর।
১০. নির্দিষ্ট প্রজাপতির ক্রোমোজোমের সংখ্যার ধ্রুবতা বজায় রাখতে পাতা ও পরাগধানীতে সংঘটিত বিভাজনের মধ্যে কোনটি অধিক গুরুত্ব বহন করে? তুলনামূলক বিশ্লেষণসহ মতামত দাও।
১১. অ্যানাফেজ ধাপের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা কর।
১২. টেলোফেজ ধাপটি ক্যারিওকাইনেসিস ও সাইটোকাইনেসিসের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে—আলোচনা কর।
১৩. মিয়োসিস কোষ বিভাজনের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা কর।
১৪. মেটাফেজ ধাপটির পরবর্তী ধাপের চিহ্নিত চিত্র আঁক।
১৫. মিয়োসিস ও মাইটোসিসের মধ্যে তুলনা কর।
১৬. মাইটোসিস কোষ বিভাজন না ঘটলে জীবজগতে কী ঘটত? ব্যাখ্যা কর।
১৭. মিয়োসিস কোষ বিভাজন কোন ধরনের? জীবজগতে এর তাৎপর্য মূল্যায়ন কর।
১৮. প্রাণীর বংশ বিস্তারে মাইটোসিসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।


তৃতীয় অধ্যায়: উদ্ভিদের পরিবহন ও প্রস্বেদন

জ্ঞানমূলক

১. ভেদ্য পর্দা কাকে বলে?
২. স্টোমাটা কী?
৩. প্রস্বেদন কাকে বলে?
৪. ব্যাপন চাপ কাকে বলে?
৫. প্রজনন কাকে বলে?
৬. দ্রবণ কাকে বলে?
৭. ব্যাপন কাকে বলে?
৮. অর্ধভেদ্য পর্দা কাকে বলে?
৯. ইমবাইবিশন কাকে বলে?
১০. সালোকসংশ্লেষণ কাকে বলে?
১১. দ্রাবক কাকে বলে?

অনুধাবন

১. ইমবাইবিশন বলতে কী বুঝায়?
২. মাছের পটকার মাধ্যমে অভিস্রবণ ঘটে—ব্যাখ্যা কর।
৩. প্রস্বেদন প্রক্রিয়াটি উদ্ভিদের জন্য অতি প্রয়োজনীয় কেন?
৪. “জাইলেম একটি পরিবহন টিস্যু”—এ কথাটির তাৎপর্য কী?
৫. পলিথিনকে কেন অভেদ্য পর্দা বলা হয়?
৬. মাছের পটকাকে অর্ধভেদ্য পর্দা বলা হয় কেন?
৭. নেসেশারি ইভিল বলতে কী বুঝ?
৮. কিশমিশ পানিতে ডুবালে ফুলে উঠে কেন?
৯. কী কী শর্তসাপেক্ষে অভিস্রবণ প্রক্রিয়া ঘটে?
১০. অভিস্রবণ এক ধরনের ব্যাপন—ব্যাখ্যা কর।
১১. প্রস্বেদনকে কেন নেসেশারি ইভিল বলা হয়?
১২. পানিতে কাঠের টুকরা ভিজালে ফুলে উঠে কেন? ব্যাখ্যা কর।
১৩. ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় কলয়েডের ভূমিকা কী—বুঝিয়ে লিখ।
১৪. জাইলেম ও ফ্লোয়েম হলো উদ্ভিদের পরিবহনের পথ—ব্যাখ্যা কর।
১৫. ব্যাপন ও অভিস্রবণের মধ্যে পার্থক্য লিখ।
১৬. ব্যাপন চাপ বলতে কী বুঝ?
১৭. পলিথিন কোন ধরনের পর্দা—ব্যাখ্যা কর।
১৮. উদ্ভিদের জন্য প্রস্বেদন প্রয়োজন কেন?

প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা

১. তরল পদার্থ পরিবহনে জাইলেম টিস্যু ও ফ্লোয়েমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—যুক্তিসহ মূল্যায়ন কর।
২. অভিস্রবণ প্রক্রিয়াটি উদ্ভিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ—বিশ্লেষণ কর।
৩. ব্যাপন প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা কর।
৪. টবে থাকা চারাগুলো নেতিয়ে পড়ল কেন? ব্যাখ্যা কর।
৫. টবের গাছগুলোর সতেজতা ফিরে পাওয়ার প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ কর।
৬. ব্যাপন ও অভিস্রবণ উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনে গুরুত্বপূর্ণ—ব্যাখ্যা কর।
৭. প্রস্বেদন প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা কর।
৮. ব্যাপন ও অভিস্রবণ উদ্ভিদের ক্ষেত্রে কী একই রকম ভূমিকা পালন করে? মতামত দাও।
৯. অভিস্রবণ প্রক্রিয়াটি উদ্ভিদের খনিজ লবণ শোষণে সহায়তা করে—বর্ণনা কর।
১০. প্রস্বেদন প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে সম্পন্ন না হলে কী ঘটবে—ব্যাখ্যা কর।
১১. পানি ও খনিজ লবণ শোষণের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা কর।
১২. যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেন্টের ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ে তার বর্ণনা দাও।
১৩. ব্যাপন এর গুরুত্ব আলোচনা কর।
১৪. পলিথিনের ভিতর পানি জমার কারণ ব্যাখ্যা কর।
১৫. পলিথিনের ভিতর পানি জমার প্রক্রিয়াটি উদ্ভিদ জীবনে কী গুরুত্ব বহন করে? বিশ্লেষণ কর।
১৬. প্রস্বেদনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।
১৭. অভিস্রবণ প্রক্রিয়া উদ্ভিদে কীভাবে ঘটে—ব্যাখ্যা কর।
১৮. পরিবেশের জন্য কোন প্রক্রিয়াটি অধিক উপযোগী—বিশ্লেষণ কর।


চতুর্থ অধ্যায়: উদ্ভিদের প্রজনন

জ্ঞানমূলক

১. প্রজনন কাকে বলে?
২. অযৌন প্রজনন কাকে বলে?
৩. পুষ্পমঞ্জরি কাকে বলে?
৪. সরল ফল কাকে বলে?
৫. সম্পূর্ণ ফল কাকে বলে?
৬. জনন কাকে বলে?
৭. নীরস ফল কাকে বলে?
৮. অঙ্গজ প্রজনন কাকে বলে?
৯. অঙ্কুরোদগম কাকে বলে?
১০. অভিস্রবণ কাকে বলে?
১১. অণুবীজ থলি কাকে বলে?
১২. বৃতি কী?
১৩. গর্ভপত্র কী?
১৪. জনন স্তবক কাকে বলে?

অনুধাবন

১. কীভাবে ফলের উৎপত্তি হয়?
২. পুষ্পমঞ্জরি বলতে কী বুঝ?
৩. বৃতির দুটি কাজ লেখ।
৪. ফুলের পরাগায়ন বর্ণনা কর।
৫. শিমুল প্রাণীপরাগী ফুল—ব্যাখ্যা কর।
৬. উদ্ভিদের কোষপ্রাচীর পানি শোষণ করে কেন?
৭. চুপরি আলুকে বুলবলি বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
৮. রঙিন ফুল পরাগায়নের সহায়ক কেন? ব্যাখ্যা কর।
৯. ছোলা বীজে কোন ধরনের অঙ্কুরোদগম হয়—ব্যাখ্যা কর।
১০. ফুলের বৃতির প্রয়োজন কেন?
১১. পতঙ্গপরাগী ফুলের বৈশিষ্ট্য লিখ।
১২. পর-পরাগায়ন বলতে কী বুঝ?
১৩. টিউবার বলতে কী বোঝায়?
১৪. কদম ফুলের অভিযোজন ব্যাখ্যা কর।
১৫. মৃদগত ও মৃতভেদী অঙ্কুরোদগমের মধ্যে পার্থক্য লিখ।
১৬. অঙ্কুরোদগম বলতে কী বুঝ?

প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা

১. স্তবক বা গর্ভকেশর উদ্ভিদের প্রজননে কী ভূমিকা পালন করে তা বিশ্লেষণ কর।
২. পরাগরেণু কীভাবে ডিম্বাণু তৈরি করে—ব্যাখ্যা কর।
৩. পরাগায়নের ক্ষেত্রে গর্ভমুণ্ড ও দল-এর মধ্যে কোনটি সরাসরি অংশগ্রহণ করে—তুলনামূলক বিশ্লেষণসহ মতামত দাও।
৪. পরাগরেণু কীভাবে জননকোষ সৃষ্টি করে?
৫. শিমুল গাছ ও কুমড়া ফলের পরাগায়ন কি একই মাধ্যম দ্বারা ঘটবে? যুক্তিসহকারে মতামত দাও।
৬. নিষিক্তকরণ বা প্রকৃত ফলের ক্ষেত্রে প্রক্রিয়াটি বর্ণনা কর।
৭. নিষেক বা নিষিক্তকরণ প্রক্রিয়ায় গঠিত অঙ্গটি আমাদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে—বিশ্লেষণ কর।
৮. আতা-এর উৎপত্তি কীভাবে ঘটে—বর্ণনা কর।
৯. পেঁপে ও মিষ্টি কুমড়ার ফুলে পরাগরেণু স্থানান্তরের প্রক্রিয়া ভিন্ন কি? যুক্তি দাও।
১০. আমের উৎপত্তি কীভাবে ঘটে—বর্ণনা কর।
১১. আম ও মিষ্টি কুমড়ার অঙ্কুরোদগমের তুলনা কর।
১২. ফুলের গর্ভকেশর বা স্তরীস্তবকের গঠন বর্ণনা কর।
১৩. মৃদগত কোন ধরনের অঙ্কুরোদগম ঘটেছে তা বিশ্লেষণ কর।
১৪. কুমড়া বীজের অঙ্কুরোদগমের প্রক্রিয়াটি বর্ণনা কর।
১৫. বৃতি ও দলমণ্ডলকে ফুলের সাহায্যকারী স্তবক বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
১৬. ফল ও বীজ উৎপাদনে পুংকেশর ও গর্ভকেশরের ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।
১৭. একটি সম্পূর্ণ ফুলের প্রতিটি অংশই গুরুত্বপূর্ণ—এ বিষয়ে তোমার মতামত দাও।
১৮. একটি সম্পূর্ণ ফুলের বিভিন্ন অংশ চিহ্নিত করে তা ব্যাখ্যা কর।
১৯. গর্ভকেশরের রূপান্তরিত অংশের চিহ্নিত চিত্রসহ বর্ণনা কর।
২০. একটি ফুলের পাপড়ি ও পুংকেশর অংশের বিবরণ দাও।
২১. সরিষা ফুলের অভিযোজন ব্যাখ্যা কর।
২২. ফল ও বীজ উৎপাদনে সরিষা ফুলের প্রক্রিয়াটির গুরুত্ব তুলে ধর।
২৩. ডিম্বাণু সৃষ্টির প্রক্রিয়া বর্ণনা কর।


পঞ্চম অধ্যায়: সমন্বয় ও রেচন

জ্ঞানমূলক

১. হরমোন কী?
২. ফাইটোহরমোন কী?
৩. রেচনতন্ত্র কাকে বলে?
৪. উদ্ভিদের ফুল ফোটাতে সাহায্যকারী হরমোনের নাম কী?
৫. লোমকূপ কী?
৬. মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ কী?
৭. নিউরন কী?
৮. স্নায়ু তাড়না কাকে বলে?
৯. মস্তিষ্ক কাকে বলে?
১০. মধ্যমস্তিষ্ক কোথায় অবস্থিত?

অনুধাবন

১. উদ্ভিদের অক্সিজেনের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
২. বৃক্ককে প্রধান রেচন অঙ্গ বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
৩. মানবদেহের নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ বের হওয়ার রেচনতন্ত্রের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
৪. “মানবদেহের উদ্দীপনামূলক ক্রিয়ার ভিত্তি নিউরন”—ইহার তাৎপর্য কী?
৫. ফল অকালে ঝরে পড়ে কেন?
৬. ডেনড্রন বলতে কী বোঝায়?
৭. রেচন বলতে কী বোঝায়?
৮. মস্তিষ্কে মেডুলার কাজ ব্যাখ্যা কর।
৯. ট্রফিক চলন বলতে কী বোঝায়?
১০. স্নায়ুকোষ বলতে কী বোঝায়?
১১. হরমোন কীভাবে কাজ করে? ব্যাখ্যা কর।
১২. রেচন পদার্থ কী? ব্যাখ্যা কর।
১৩. প্রতিবর্ত চক্র বলতে কী বুঝায়?

প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা

১. নিউরন কোষটির চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন কর।
২. মানবদেহে প্রতিবর্ত চক্রের ঘটনা চিহ্নিত চিত্র এঁকে দেখাও।
৩. মানবদেহে উদ্দীপনা তৈরিতে নিউরন বা স্নায়ুকোষ কী ভূমিকা রাখে—বর্ণনা কর।
৪. নিউরন বা স্নায়ুকোষের গঠন অন্যান্য কোষের গঠন অপেক্ষা ভিন্নতর—যুক্তিসহ বিশ্লেষণ কর।
৫. বৃক্ক অঙ্গটি মূত্র তৈরির কারখানা—ব্যাখ্যা কর।
৬. নিউরন অঙ্গটি ঠিকমতো কাজ না করলে মানবদেহে কী কী সমস্যা হতে পারে? মতামত দাও।
৭. চর্ম বা চামড়া স্পর্শ করলেই আমরা বুঝি কেন? ব্যাখ্যা কর।
৮. মানবদেহে বৃক্কের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।
৯. নিউরন কোষ প্রাণীকে পরিবেশের সাথে সমন্বয় ঘটাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে—তোমার মতামত দাও।
১০. নিউরন অঙ্গাণুটির গঠন ব্যাখ্যা কর।
১১. মানবদেহে রেচনতন্ত্রের গুরুত্ব মূল্যায়ন কর।


সপ্তম অধ্যায়: মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ

জ্ঞানমূলক

১. অভিকর্ষ কী?
২. মহাকর্ষ কী?
৩. ভরের একক কী?
৪. মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ কাকে বলে?
৫. ওজনহীনতা কী?
৬. ওজনের একক কী?
৭. ভর কাকে বলে?
৮. ওজন কাকে বলে?
৯. তড়িৎ বর্তনী কাকে বলে?
১০. মহাকাশ কী?
১১. g-এর একক কী?
১২. বিষুব অঞ্চলে g-এর মান কত?

অনুধাবন

১. অভিকর্ষজ ত্বরণ বলতে কী বুঝ?
২. পৃথিবীপৃষ্ঠের বিভিন্ন স্থানে অভিকর্ষীয় ত্বরণ ভিন্ন কেন? ব্যাখ্যা কর।
৩. কৃত্রিম উপগ্রহ পৃথিবীকে কীভাবে প্রদক্ষিণ করে—ব্যাখ্যা কর।
৪. ভর ও ওজনের ভিন্নতা ব্যাখ্যা কর।
৫. মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর ভূ-নিকটস্থ স্থানে অভিকর্ষীয় ত্বরণের মান ৯.৮১ মিটার/সেকেন্ড²-এর তাৎপর্য লিখ।
৬. স্বচ্ছ পানির নিচে থাকা মাছকে কাছে মনে হয় কেন?
৭. লিফট যখন নিচে নামতে শুরু করে তখন লিফটযাত্রী নিজেকে হালকা অনুভব করে কেন? ব্যাখ্যা কর।
৮. গ্যালাক্সি বলতে কী বুঝ?
৯. লিফটে উপরে ওঠার সময় ভারী অনুভব হয় কেন?
১০. ভর ও ওজনের মধ্যে পার্থক্য কী?
১১. ওজনহীনতা কী? ব্যাখ্যা কর।
১২. মহাকর্ষীয় ধ্রুবক বলতে কী বুঝ?
১৩. ভূ-পৃষ্ঠে g-এর মান পরিবর্তনশীল—ব্যাখ্যা কর।

প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা

১. এক নভোচারী পৃথিবীপৃষ্ঠে হতে ১০ কেজি ভরের বস্তু চন্দ্রপৃষ্ঠে নিয়ে গেল। পৃথিবীর পৃষ্ঠে বস্তুটির ওজন নির্ণয় কর।
২. পৃথিবীর পৃষ্ঠে বস্তুর ওজন ৯৮ নিউটন, বস্তুর ভর ১০ কেজি। নভোচারীর নিকট পৃথিবীর পৃষ্ঠের অপেক্ষা চন্দ্রপৃষ্ঠে বস্তুটি বহন করা সহজ কেন? গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণ কর।
৩. A ও B দুটি বস্তুর ভর যথাক্রমে ২০ কেজি ও ৪০ কেজি। তাদের মধ্যবর্তী দূরত্ব ১০০ মিটার। A বস্তুটির ওজন নির্ণয় কর।
৪. A ও B দুটি বস্তুর ভর যথাক্রমে ২০ কেজি ও ৪০ কেজি। তাদের মধ্যবর্তী দূরত্ব ১০০ মিটার। A ও B বস্তুর মধ্যবর্তী দূরত্ব হ্রাস পেলে আকর্ষণ বল বৃদ্ধি পায়—উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
৫. A ও B দুটি বস্তুর ভর যথাক্রমে ২০ কেজি ও ৩০ কেজি। তাদের মধ্যবর্তী দূরত্ব ২০ মিটার। A বস্তুটির ওজন নির্ণয় কর।
৬. A ও B দুটি বস্তুর ভর যথাক্রমে ২০ কেজি ও ৩০ কেজি। তাদের মধ্যবর্তী দূরত্ব ২০ মিটার। A ও B দুটি বস্তুর ভর অর্ধেক এবং তাদের মধ্যবর্তী দূরত্ব দ্বিগুণ করলে আকর্ষণ বল পূর্বের তুলনায় কীরূপ পরিবর্তন হবে—গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণ কর।
৭. দুটি বস্তু A ও B-এর ভর যথাক্রমে ৫০০ গ্রাম ও ২ কেজি। এরা পরস্পর থেকে ২ মিটার দূরে অবস্থিত। A বস্তুর ওজন নির্ণয় কর।
৮. দুটি বস্তু A ও B-এর ভর যথাক্রমে ৫০০ গ্রাম ও ২ কেজি। A ও B বস্তুদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব দ্বিগুণ করা হলে আকর্ষণ বলের কীরূপ পরিবর্তন হবে? গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণ কর।


নবম অধ্যায়: বিদ্যুৎ

জ্ঞানমূলক

১. বিদ্যুৎ প্রবাহ কী?
২. অ্যামিটার কী?
৩. এসি প্রবাহ কাকে বলে?
৪. ভোল্টমিটার কাকে বলে?
৫. ভোল্টমিটারকে বর্তনীর সাথে কীভাবে সংযুক্ত করতে হয়?
৬. বিদ্যুৎ প্রবাহ এবং রোধের সম্পর্ক কী?
৭. প্রেসার কুকারে রান্না করলে কত শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়?
৮. বিদ্যুৎ প্রবাহের একক কী?
৯. বৈদ্যুতিক ক্ষমতা কাকে বলে?
১০. রোধ কী?
১১. তড়িৎ প্রবাহ কী?
১২. তড়িৎ বর্তনী কাকে বলে?
১৩. রোধের একক কী?
১৪. বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক কী?

অনুধাবন

১. ৫ অ্যাম্পিয়ার ফিউজ বলতে কী বুঝ?
২. বাসাবাড়িতে ফিউজ ব্যবহার করা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
৩. গৃহে বিদ্যুতায়নে সমান্তরাল বর্তনী ব্যবহারে সুবিধাজনক কেন? ব্যাখ্যা কর।
৪. বর্তনীতে ফিউজ ব্যবহার করা হয় কেন?
৫. ফিউজ কেন ব্যবহার করা হয়?
৬. এক ভোল্ট বলতে কী বুঝ?
৭. ১০ কিলোওম বলতে কী বুঝ?
৮. ওহমের সূত্রটি ব্যাখ্যা কর।
৯. একমুখী প্রবাহ বলতে কী বুঝ?
১০. 220-60-এর অর্থ কী?

প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা

১. বর্তনীর রোধ ১০ ওহম এবং বিভব পার্থক্য ১.৫ ভোল্ট হলে তড়িৎ প্রবাহ বা প্রবাহমাত্রা নির্ণয় কর।
২. বর্তনীর দুটি উপাদান একই মান বজায় থাকলে গৃহে বিদ্যুতায়নের জন্য কোনটি সুবিধাজনক তা বিশ্লেষণ কর।
৩. বর্তনীর বিভব পার্থক্য ১২ ভোল্ট এবং রোধ ১০ একক হলে বর্তনীর বিদ্যুৎ প্রবাহের মান নির্ণয় কর।
৪. ০.৫ অ্যাম্পিয়ার বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় এবং বিভব পার্থক্য ২২০ ভোল্ট হলে রোধ নির্ণয় কর।


একাদশ অধ্যায়: আলো ও মানবচক্ষু

জ্ঞানমূলক 

১. আলোর প্রতিসরণ কী?
২. কর্ণিয়া কী?
৩. অ্যাকুয়াস হিউমার কী?
৪. অক্ষিগোলক কাকে বলে?
৫. প্রতিসরণ কোণ কী?
৬. অপটিক্যাল ফাইবার কী?
৭. তারাযন্ত্র কী?
৮. আইরিস কী?
৯. মানুষের চোখের নিকট বিন্দু ও দূরবিন্দু কত?
১০. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন কী?
১১. সংকট কোণ কাকে বলে?
১২. রেটিনা কী?
১৩. কৃষ্ণমণ্ডল কী?
১৪. ক্রান্তি কোণ কী?
১৫. শ্বেতমণ্ডল কী?
১৬. হাইপোর রাসায়নিক নাম কী?
১৭. আপতন কোণ কাকে বলে?
১৮. মানুষের স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্ব কত?

অনুধাবন

১. আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের কারণ কী?
২. গ্লাসে পানির ভিতরে রাখা ধাতব মুদ্রাকে তির্যকভাবে তাকালে তা সামান্য উপরে দেখায় কেন?
৩. ম্যাগনিফাইং গ্লাস ব্যবহার করা হয় কেন?
৪. অপটিক্যাল ফাইবারের আলোকনল ডাক্তাররা ব্যবহার করেন কেন?
৫. চোখের ভিতরে প্রবিষ্ট আলোর প্রতিফলন না হওয়ার কারণ কী?
৬. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ব্যাখ্যা কর।
৭. টেলিযোগাযোগে অপটিক্যাল ফাইবারের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।
৮. আলোক রশ্মি ঘন স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে হালকা স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশ করলে কী ঘটবে?
৯. প্রতিসরণের নিয়মগুলো লিখ।
১০. আলোর প্রতিসরণের শর্তগুলো লেখ।
১১. একটি লাঠিকে কাত করে পানিতে নিমজ্জিত করলে বাঁকা দেখা যায় কেন?
১২. আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে?
১৩. আলো ভিন্ন মাধ্যমে গতিপথ পরিবর্তন কেন?
১৪. অপটিক্যাল ফাইবারের কার্যকারিতা ব্যাখ্যা কর।

প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা

১. আলোর প্রতিসরণের কারণ ব্যাখ্যা কর।
২. প্রায় ডুবন্ত সূর্যের আলো মাছ বরাবর বেঁকে যায় কেন? তা বর্ণনা কর।
৩. দিগন্ত বরাবর ডুবন্ত সূর্যকে মাছ একটু উপরে দেখতে পায় কেন? তা বর্ণনা কর।
৪. মানবচক্ষু কীভাবে মানুষকে দেখতে সাহায্য করে লিখ।
৫. মানবচক্ষু ও ক্যামেরার কার্যক্রম সাদৃশ্যপূর্ণ—বিশ্লেষণ কর।
৬. আলোর প্রতিসরণের ঘটনাটি ব্যাখ্যা কর।
৭. আলোর প্রতিসরণের বাস্তব প্রয়োগ আলোচনা কর।
৮. সংকট কোণ কী? ব্যাখ্যা কর।


ত্রয়োদশ অধ্যায়: খাদ্য ও পুষ্টি

জ্ঞানমূলক

১. খাদ্য কী?
২. পুষ্টি কী?
৩. কোন ভিটামিনের অভাবে রিকেটস রোগ হয়?
৪. খাদ্যের উপাদান কয়টি?
৫. অস্টিওম্যালেশিয়া কী?
৬. খাদ্য উপাদান কাকে বলে?
৭. ১ গ্রাম শর্করা কত কিলোক্যালরি তাপশক্তি উৎপন্ন করে?
৮. শর্করা কয়টি মৌলিক উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত?
৯. চর্বিজাতীয় এসিড কত প্রকার?
১০. প্রোটিন কী?
১১. সুষম খাদ্য কী?
১২. রাফেজ কাকে বলে?
১৩. মৌল-বিপাক কাকে বলে?
১৪. ভিটামিন কাকে বলে?
১৫. সুষম খাদ্য কী?

অনুধাবন

১. পুষ্টি বলতে কী বুঝ?
২. মানবদেহে খনিজ লবণের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা কর।
৩. সুষম খাদ্য দেহের জন্য প্রয়োজন কেন? ব্যাখ্যা কর।
৪. মানুষের জন্য সামুদ্রিক মাছ গুরুত্বপূর্ণ কেন?
৫. ডিমে আমিষের সহজপাচ্যতার গুণক ১ বলতে কী বোঝায়?
৬. সুষম খাবার কী কী শর্ত পালন করে?
৭. দেহের জন্য পানি একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান—ব্যাখ্যা কর।
৮. সুষম খাদ্য বলতে কী বোঝায়?
৯. শর্করা পরিপাকের প্রয়োজন হয় কেন?
১০. বিশুদ্ধ খাবার পানির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা কর।
১১. প্রতিদিন কিছু পরিমাণ ফল খাওয়া প্রয়োজন কেন?
১২. রাফেজ বলতে কী বুঝ?
১৩. মানব শরীরে আমিষ গুরুত্বপূর্ণ কেন—ব্যাখ্যা কর।
১৪. খিচুড়ি পুষ্টিকর খাদ্য কেন?
১৫. মাখন একটি স্নেহবহুল খাদ্য—ব্যাখ্যা কর।
১৬. অ্যানিমিয়া বলতে কী বুঝ?
১৭. দেহের জন্য খাদ্যের প্রয়োজন কেন?
১৮. পুষ্টিহীনতা বলতে কী বুঝ?

প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা

১. রক্তসল্পতা বা অ্যানিমিয়া রোগটি ব্যাখ্যা কর।
২. মেরাসমাস রোগটি ব্যাখ্যা কর।
৩. করিমের দেহের ওজন ৭০ কেজি হলে প্রতিদিন কত গ্রাম শর্করার প্রয়োজন?
৪. আমিষ বা প্রোটিনজাতীয় খাদ্যের অভাবে কী রোগ দেখা দেয়? ব্যাখ্যা কর।
৫. ভিটামিন এ ও স্নেহজাতীয় খাদ্যের অভাবে শিশু ও বৃদ্ধ উভয়ই রোগাক্রান্ত হয় কি? যুক্তিসহকারে কর।
৬. স্নেহজাতীয় খাদ্য উপাদানের উপযোগিতা ব্যাখ্যা কর।
৭. ভিটামিন সি-এর কাজ কী? বর্ণনা কর।
৮. ২০ গ্রাম শর্করাজাতীয় খাদ্য থেকে কত কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়? নির্ণয় কর।
৯. কোয়াশিয়রকর ও মেরাসমাস রোগের লক্ষণ বর্ণনা কর।
১০. ভিটামিন ডি-এর অভাবে শিশু ও বয়স্কদের কী কী সমস্যা হতে পারে? তোমার মতামত দাও।
১১. ভিটামিন এ-এর অভাবে দেহের স্বাভাবিক সুস্থতা ব্যাহত হয়—ব্যাখ্যা কর।
১২. ভিটামিন সি-এর গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।
১৩. গলগন্ড রোগের জন্য তুমি ডাক্তারের কী পরামর্শ নেবে? তোমার মতামত দাও।
১৪. আমিষজাতীয় খাদ্যের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।
১৫. ভিটামিন সি-এর অভাবজনিত রোগের কারণ ব্যাখ্যা কর।
১৬. ভিটামিন এ-এর উৎস ও কাজ বর্ণনা কর।
১৭. পুষ্টিহীনতা রোগের প্রতিকার ব্যাখ্যা কর।
১৮. ভিটামিন এ-এর কার্যকারিতা বর্ণনা কর।
১৯. গলগন্ড রোগের লক্ষণগুলো বর্ণনা কর।


চতুর্দশ অধ্যায়: বাস্তুতন্ত্র ও পরিবেশ

জ্ঞানমূলক

১. বাস্তুতন্ত্র কী?
২. জু-প্রাণকটন কী?
৩. খাদ্য শৃঙ্খল কী?
৪. বিয়োজক কাকে বলে?
৫. উৎপাদক কাকে বলে?
৬. জলজ বাস্তুতন্ত্র কত ধরনের?
৭. জৈব উপাদান কী?
৮. খাদক কাকে বলে?
৯. সর্বভুক প্রাণী কাকে বলে?
১০. ভক্ষক কাকে বলে?
১১. ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন কী?
১২. বক কোন স্তরের খাদক?

অনুধাবন

১. বিয়োজক বলতে কী বোঝায়?
২. বাস্তুতন্ত্রে ব্যাকটেরিয়ার ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
৩. বিয়োজকের কাজ ব্যাখ্যা কর।
৪. ঘাস একটি আদর্শ খাদ্য—ব্যাখ্যা কর।
৫. বাস্তুতন্ত্রের অজীব উপাদান কোনগুলো?
৬. পাখিকে দ্বিতীয় স্তরের খাদক বলা হয় কেন?
৭. খাদ্যজাল বলতে কী বোঝায়?
৮. প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় বিয়োজকের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
৯. ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া বিয়োজক কেন?
১০. সুন্দরবনের উদ্ভিদের মূল খাড়াভাবে মাটির উপরে উঠে আসে কেন?
১১. তৃণভোজী প্রাণী বলতে কী বুঝ?
১২. উৎপাদক বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা কর।

প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা

১. দ্বিতীয় স্তরের খাদক চিহ্নিতপূর্বক উদাহরণসহ একটি খাদ্যশৃঙ্খল গঠন কর।
২. পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় দ্বিতীয় স্তরের খাদ্যজাল কীভাবে ভূমিকা রাখে তা বিশ্লেষণ কর।
৩. উৎপাদকের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
৪. খাদ্য তৈরিতে সূর্যের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।
৫. খাদ্যশৃঙ্খলে শক্তিপ্রবাহ ব্যাখ্যা কর।
৬. সাপ বৃদ্ধি পেলে প্রাকৃতিক ভারসাম্যের উপর কীরূপ প্রভাব পড়বে? বিশ্লেষণ কর।
৭. পুকুরের বাস্তুতন্ত্রের মাধ্যমে একটি খাদ্যশৃঙ্খল তৈরি কর।
৮. খাদ্যজালটি ব্যাখ্যা কর।
৯. কীভাবে বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষা হয় তা একটি খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে ব্যাখ্যা কর।
১০. পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় জলজ বাস্তুসংস্থানের ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।
১১. সুন্দরবনে উদ্ভিদের মূল মাটির উপরে উঠে আসার কারণ ব্যাখ্যা কর।
১২. সূর্য সকল শক্তির উৎস—ব্যাখ্যা কর।
১৩. সূর্যের আলো কীভাবে পৃথিবীতে পৌঁছায়? ব্যাখ্যা কর।
১৪. উদ্ভিদ হতে বিয়োজক পর্যন্ত শক্তির প্রবাহ বিশ্লেষণ কর।


পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বিশেষ নির্দেশনা

১. জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

প্রতিটি অধ্যায়ের সংজ্ঞা, একক, বৈজ্ঞানিক নাম, সূত্র, পরিভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুখস্থ করার পাশাপাশি বুঝে পড়তে হবে।

২. অনুধাবনমূলক প্রশ্ন

শুধু সংজ্ঞা মুখস্থ না করে “কেন”, “কীভাবে”, “ব্যাখ্যা কর” ধরনের প্রশ্নের উত্তর নিজের ভাষায় লেখার অনুশীলন করতে হবে।

৩. প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা

এই অংশে তুলনা, বিশ্লেষণ, যুক্তি, কারণ-ফলাফল, চিত্র এবং গাণিতিক সমস্যার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

৪. চিত্রভিত্তিক প্রস্তুতি

বিশেষভাবে অনুশীলন করো—

  • অ্যানাফেজের চিত্র

  • নিউরনের চিহ্নিত চিত্র

  • প্রতিবর্ত চক্র

  • ফুলের বিভিন্ন অংশ

  • গর্ভকেশরের গঠন

  • মানবচক্ষু ও আলোর প্রতিসরণসংক্রান্ত চিত্র

  • খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল

৫. গাণিতিক প্রস্তুতি

বিশেষভাবে অনুশীলন করো—

  • ভর ও ওজন

  • অভিকর্ষজ ত্বরণ

  • মহাকর্ষীয় আকর্ষণ

  • ওহমের সূত্র

  • তড়িৎ প্রবাহ ও রোধ

  • খাদ্য থেকে শক্তি নির্ণয়

  • দৈনিক খাদ্য উপাদানের প্রয়োজনীয়তা


এবিসি আইডিয়াল স্কুল

অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান — জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬

এই অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নগুলো শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অনুশীলন, পুনরাবৃত্তি এবং পরীক্ষাভিত্তিক প্রস্তুতিতে সহায়তা করবে। প্রতিটি অধ্যায়ের প্রশ্ন আলাদাভাবে প্রস্তুত করে শেষে পূর্ণাঙ্গ মডেল পরীক্ষার মাধ্যমে নিজের প্রস্তুতি যাচাই করা যেতে পারে।


মন্তব্য (0)

হোম পেজে ফিরে যান
হোম